তহবিল ০৩
নির্দিষ্ট খাতশীতার্ত সহায়তা তহবিল
উত্তরের শীত মানুষ মারে। কম্বল সেটা ঠেকায়।
সংগৃহীত
৳০
ব্যয়িত
৳০
হাতে আছে
৳০
সংগৃহীত অর্থের ০% ইতিমধ্যে ব্যয় হয়েছে · ০ জন দাতা
ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি — রংপুর, কুড়িগ্রাম, নীলফামারীর চরে তাপমাত্রা নামে, আর প্রতি বছর শীতেই মানুষ মারা যায়। বেশিরভাগই বৃদ্ধ ও শিশু।
আমরা মৌসুম শুরুর আগেই কম্বল ও শীতবস্ত্র সংগ্রহ করি, কারণ শীত পড়ার পরে কিনলে দাম বাড়ে আর পৌঁছাতে দেরি হয়।
বিতরণের তালিকা স্থানীয় ইউনিয়ন পর্যায়ে যাচাই করা হয় — একই পরিবার দুইবার পাচ্ছে কি না, আর যারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে তারা বাদ পড়ছে কি না।
এই অর্থ কোথায় ব্যয় হবে না
শুধু শীতবস্ত্র ও শীতকালীন সহায়তায় ব্যয়যোগ্য।
ব্যয়ের নিয়ম
- শুধু কম্বল, শীতবস্ত্র ও শীতকালীন সহায়তায় ব্যয়যোগ্য।
- মৌসুমের আগে ক্রয় করা হয় — দাম কম, পৌঁছানো দ্রুত।
- মৌসুম শেষে উদ্বৃত্ত পরের শীতের জন্য এই তহবিলেই থাকে।
আপনার দান কী করে
৳৬০০
একটি কম্বল
৳৩,০০০
একটি পরিবারের শীতবস্ত্র
৳৩০,০০০
৫০টি কম্বল — একটি চরের একটি পাড়া
হিসাবগুলো সাম্প্রতিক প্রকৃত ব্যয়ের ভিত্তিতে আনুমানিক — বাজারদর অনুযায়ী পরিবর্তন হতে পারে।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
শীতের বাইরে দিলে কী হয়?
অর্থ তহবিলেই থাকে এবং আগাম ক্রয়ে ব্যবহৃত হয়। আগাম দান আসলে সবচেয়ে কাজে লাগে — সেপ্টেম্বরে কেনা কম্বলের দাম ডিসেম্বরের চেয়ে কম।
কোথায় বিতরণ হয়?
মূলত রংপুর বিভাগের চরাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলের প্রত্যন্ত ইউনিয়নে। প্রতিটি বিতরণের অবস্থান ভাউচারে থাকে।
নিরাপদ অনুদান
দান করুন
আপনি এই তহবিলের পাতা থেকে এসেছেন, তাই এটি নির্ধারিত
আপনার তথ্য এনক্রিপ্টেড সংযোগে পাঠানো হয়